পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জাতকের বাণী

ছবি
জাতকের কাছে আছে গো লেখা আমার রক্ত বাণী আমি হলাম মূর্খ বড় তিনিই সকল জ্ঞানি জাতক পাপ পুন্য বুঝি বৈকি তবুও নয়তো আমি দানি সেই তো বিধির বাহক সেরা আমি যে তুচ্ছ এক প্রাণী শৈশবে পাপ ছিলোনা দায় কিশোরে তে হলাম অভিমানী বাড়লো তাতে পাপের বোঝা কাহারো কথা কি আর মানি গুরু নাই যার বোঝাবে কে হে করিব কি আর সন্ধানী কর্মের দোষে হয় সর্ব হারা আজ নিশ্চয়ই তাহা মানি।

ফিরে দেখা

সাল ২০১৩, দিল্লি থেকে বিদায় নিয়ে বাবার কাছে যাওয়া সব কিছু বিসর্জন দিয়ে এক অন্য মাটিতে পা রাখা এতটাই সোজা হয়তো ছিলো না  ভেবে ছিলাম ওখানে গিয়ে নতুন এক জীবন যাপন করবো, কিন্তু না সেটা হয়তো কপালে ছিলোই না ।একটি জমি কিনতে আমার সব অর্থ বিফল হয়ে যায় কারণ জমির মালিক ভুল ছিলো এটা বুঝতে আমার সময় লেগেছে ৫ মাস এর কারণ হলো আগন্ত বিশ্বাস যার ফল স্বরুপ আমার পাশের বাড়ির লোককে ৬ লাখ টাকা যেটা হাতে দিয়েছিলাম, শুধু এক টুকরো মাটি কিনবো বোলে কিন্তু সেটা ভাবাই বৃথা। সত্যি বলতে মানুষ চিনতে আমি আজও ভুল করে থাকি, মানুষের চরিত্র টা বোঝা বড়ই কঠিন আর তার জন্য আমাকে মাশুল দিতে হয়েছে গোটা সাত বছর ।  মনোবল টা ভেঙে যাওয়ায় মানসিকতা টাও হারিয়ে ফেলে ছিলাম যার কারণ দূ বার এক্সিডেন্ট ও হয় শুধু মৃত্যু টা আর হোলোনা সেটাও হয়তো ভাগ্যে ছিলোনা ।

দরিদ্রতা

আকলের কাল বড় বিপদের ধৈর্যতা জীবনের ব্যর্থতা তারই নাম দরিদ্রতা রূপ নয় গুন নয় ভাগ্যের বিধানে সময়ের অবহেলা তাই ব্যেথা এখানে আকা বাকা পথ সোজা আর সোজা পথে বাধা হয় সংসার স্বরলিপি এক কথায় ধাধাঁ হয় পরিপাকে জ্ঞান মেলে তাও বড় কষ্টে রাত্রতে জাগে যে জন তার ভোর হয় নষ্টে অভাবের দিন আসে , ভুল তার পরিনাম বিচারেতে ত্রুটি হলে দারিদ্র টাই তার দাম দ্বিধা বড় হয় মোনে পেয়ে এই পরিচয় দাড়িয়েওনা এই ভেবে আগে সফলতা নিশ্চয় |

আমার শ্রোতাগণ

সুখী হও আদরের মোর শ্রোতাগণ বন্ধু        ভালো থেকো সবিনয় হয়ে গঙ্গা ও সিন্ধু আসা যাওয়া হবে রোজ তোমাদের মাঝেতে              রেখে দিও স্মৃতি মোর হৃদয়ের কাছেতে  ভালোবাসা দিয়ে যাবো , মনে করো যখনও              সাড়া যদি নাও পাও , লেখা পাবে তখনও পেয়েছি গো বহু গুন তোমাদের কাছেতে                 চাইনা তো আর কিছু , শুধু থেকো মোর পাশেতে রাখবো গো ধরে এই বুকেরই সীমানায়                         জানবে গো চিরতরে নই আমি অচেনায় ভুল হলে ভুল ভেবে করে দিও মার্জনা                                 দৃষ্টির বোধ নেই তাই অন্ধের একজনা   |    

নারদ মুনি

নারদ তুমি সর্ব কালের  সর্ব ঘটের কলা কান্ড তোমার ছল চাতুরি  মিছেই তোমায় বলা এদিক ওদিক দুদিক থাকো  মন্দ তুমি নও কুট নিতিকের শিখর তুমি  ভন্ড তুমি নও মুনি তোমার নাম রেখেছে  মুনির দেখা নাই চামচাগিরি তোমার নীতি  সব জাগাতেই পাই এদিক ওদিক ঘুরে খালি  করো কথা ফাঁস   তোমার কথা শুনলে পরে  নেবেই ছোলা বাঁশ সর্গ নরক সবই দেখা  ব্যক্তি তুমি গুনী মানতে যদি হয়গো তোমায়  খারাপ কি শকুনি|

মন্ত্রী মশাই

মন্ত্রী বড় রথীন বাবু  দেখতে ভারী বেশ আধখানা চুল টাক মাথাতে শ্যামলা বরণ ফেস ঠান্ডা মাথায় কথা বলেন ধরণ সরণ দেখে পর উপকার করেন তিনি নিজের চরণ রেখে পৌর সভার পৌর প্রধান মান্য আছে তার তার কাথেতেই ওঠা বসা গন্য আছে তার রক্ত দানে রক্ত নেবেন রক্ত দেবেন না বললে পরে হঠাৎ রেগে আর কাউকে চেনেন না ভদ্র তিনি নম্র তিনি সাধুর মতো মন নজর খালি টাকার উপর মারবে কতক্ষণ জন সার্থের কাল্যানেতে করেন প্রচুর টাকা ব্যায় একটু খানি সুযোগ পেলে কমিশন টাও নেয় এমনি সেমনি  লোক নয় সে মেয়ে বিদিশে পড়ে  সাঠ হাজারের বেতনেতে দান দিক্ষাও করে বুঝবো এবার কি কোরে ভাই অট্টলিকা হয় সাদা জামায় দাগ নেই যে কল কালিকাও হয় |

আবোল তাবোল

আবোল তাবোল বলবো পাগোল ধেরে ইদুরের কী মারবো এবার কানের গোড়ায় বুঝবে তবে কী ? দেখবো আমি মোই বেয়ে সব সূর্য ডোবায় কে চাঁদ কে কেনো উঠতে বলে রাতের বেলায় সে | ব্যঙের ছাতা মাথায় দিয়ে ঘুরবো আমি দেশ মাছ বাজারে গিয়ে আমি করবো সমাবেশ বিচার হবে গড়ের মাঠে মাতাল হবে জজ মুখ লুকিয়ে কেউ পালালে দেবো কিল চর দশ রাতের বেলায় যাবো তোমার বন্ধু সেজে বাড়ি চিনতে যদি পারো তবে তোমার সাথে আঁড়ি |  

ঠাকুর মশাই

(কবিতা) ঠাকুর মশাই পুজো করেন      তবে মাছ মাংসের পেটু মস্ত তার পৈতে গলায়      পণ্ডিত চেনার হেতু মন্ত্র বলেন কোন ভাষাতে      বুঝবে কে আর দেশে শুদ্ধ ভাষায় কথা বলেন      তবে মিথ্যে বলেন শেষে পেট পুড়ে সে ভোজন করেন      ভাবেন যদি দান দিনাটাও পাই চাল কলাতে নয়তো খুশি      সাথে এবার দাক্ষিনাটাও চাই অঞ্জলিতে দেবেন চন্দবিন্দু      নিজের ভোগে ফল পুজোর শেষে প্রসাদ নাকি      শুধু শান্তির জল ভক্তি কতো কে জানে কার      সরবে সবাই কবে চিন্তা খালি ঝোলার উপর      ভরবে সেটা কবে এক পুজোতে কাজ সেড়ে যায়      চিন্তা আবার কিসে পুন্য তিনি রোজই করেন      তাই ধন্য সবার শেষে |  

মূক্তি

কি ভাবে দেবো মুক্তি তোমায় - আমারই মন থেকে আমি যে চেয়েছি যেতে - তোমারই জিবন থেকে কি করে করবো দোষী - তোমায় বলো আমি তুমি যে আমার হৃদয় – আমার চেয়েও দামি কি ভুলব তোমায় – জানা নেই সেই সহসা জানি আমি তুমিই আমার – এ মনের শেষ ভরসা চলে যাবো যে দিন প্রিয় – তোমারি জিবন থেকে নিয়ে যেও স্মৃতি তোমার – আমাকে নিরব রেখে দুরে থাকা এক বেদনা – বড় যে বিবশ লাগে জানিনা বাচবো কদিন – নিঃশাস কতোক্ষণ আছে |

আমি হলাম

(কবিতা ) কেউ হয় সাদা সিদে কেউ বা বদের হাড়ি কেউ হয় আমজন কেউ বা সেবক সরকারি আমি হলাম ফালতু তবে মানুষ্ টা রকমারি নেই তাই প্রয়োজন অবহেলায় বেদরকারি ' কেউ বলে বোকা তুমি কেউ বা বলে পাগল কেউ বলে মাথামোটা কেউ বা বলে গো ছাগল তবু আমি শান্ত শুধু  তাদের দিকে চেয়ে থাকি আমি মানুষ্ টা ফালতু যদিও বা হতে পারি কেউ বলে নির্গুণ  কেউ বা বলে চাষা কেউ বলে যাযাবর কেউ বা আদ খাসা তবু আমি সয়ে যাই সব কিছু ভুলে যাই জানি আমি শ্রোতাদের হয়ে সবই গ্রহনকারী ....

কিচির মিচির

(কবিতা) উঁচু নীচু সব দেখা জীবনের গল্প    মাথা খানা হেট্ ছিলো ব্যেথা ছিলো অল্প রোজ রোজ কথা শোনা কাজ ভারী মস্ত সূর্যের মতো কেনো হয়্নাগো দুঃখের অস্ত দিন আসে দিন যায় শেষ আর হয়না এতো ব্যেথা সয়েছি যে আর ব্যেথা সয়না চিন্তার বোঝা যেন নামতে সে চায়না লেগে আছে ছুতো নাটি যত সব বায়না   

ফুল

(কবিতা) গাছ থেকে ঝরে পরা ফুলেরই আহ্বান শিয়রে থাকে যেনো আমারই ভগবান আমায় মাড়িয়ে যেও নাগো হে মানব সন্তান আমি যে তোমাদের প্রতি তোমারি তো দান আমাকে ছিড়ে কভু করোনা গো অবহেলা অপমান বড় যে নিস্ব জীব তবু রাখি তোমাদেরই মান পুন্নেরই আহরণে যদি থেকে থাকে কোনও হে জন চরণে রেখো প্রভুর আমি করিব তোমারে স্মরণ '''''

পরিশ্রম

(কবিতা) মাথা থেকে বেয়ে পরা সহস্র ঘামের স্রোত সুকনো গলার সাথে জলের পিপাসা পেটে খিদের ডাক আর পিঠে অনেক ব্যাথা চোখ যেনো বুঝি বুঝি মাথা করে টন টন এটাই পরিশ্রম ? চিন্তার বোঝা গুলো কিছুতেই কমেনা বিপদ যেনো পথ আগলে রাখে  ভাবা যায় সূর্য টা আর উদয় হবেনা  তবুও খেটে যেতে হবে, দাইত্ব বড় জ্বালা  এটাই পরিশ্রম ? সকাল থেকে রাত হয় পা থর থর কাপে  তবুও যেনো কিছুই করতে পারলাম না  খিদেটা ঠিক আমার নয় রয়েছে আরও তিন জন  তাদের কে খুদার্থ দেখাটা হয়তো সম্ভব না  তাই করতে হয় অবিরাম পরিশ্রম !                                                                                     ধন্যবাদ------------

নীরবতা

(কবিতা ) নীরবতায় দিন কেটে যায় ব্যাথার সাগর বয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছি তবু বহু ঝড়ের আঘাত সয়ে । হারিয়ে ফেলেছি তবে বিশ্বাস সবার প্রতি পারিনি বাঁচাতে নিজেকে সততার প্রতি হয়ে। নিঃশাস যেন যন্ত্রনা হয়ে লাগছে শরীর উৎবেগ এই বুঝি শেষ ভেবে মনে হয় গো বড় উচ্ছেদ। ঠিকানা নেই কুলের কোনো ভেসে যাবো অজানায় রইবো চিরতরে পথিক বন্ধু জানা সেই অচেনায়। ফিরবেনা আর মনে হয় সেই সুখের চাঁদের আলো যদি বা আসে ফিরে তবে জানবে তুমি চেয়েছি আমি শুধু তোমারই ভালো।

মূর্খ

( লিপিবোধ ) নিজেকে অন্ধকারে রেখে অন্যকে আলোকিত করা বর্তমানে তাকে মূর্খ বলে গবেষনা করা হয় যদিও আমি নিজেকে মুর্খ বলে মেনে নিয়েছি কারণ এই মুর্খতাতেই অনেক খুশি বোধ করি পারিনা কাউকে অসহায় দেখতে কষ্ট বড় মনে হয় যদিও অপরকে সাহায্য করার মতো সামর্থ আমার নেই তাই অনেকেই মজা করে বলে থাকে, কিরে তোর কি খবর ? ভাবি তার প্রশ্নের উত্তরে হাসবো না কাদবো কেননা যারা এই ভাবে প্রশ্ন করে তাদেরকেও কোনও সময় শরিল কে কষ্ট দিয়ে অনেক ভাবে সাহায্য করে ছিলাম , তাই অবাক হয়ে কখনও কখনও তাদের দিকে চেয়ে থাকি নিজেকে বড় একা মনে হয় কারণ আমার মতো মূর্খই বা কজন ? সুধু একটা প্রশ্ন নিজেকে বিচলিত করে সেটা হলো মনে করেন আপনি আমার লেখাটা মন দিয়ে  পরছেন এভাবে আমাকে সাহায্য করছেন এবার মনে করেন আপনাকেও যদি বলে কেউ মুর্খ ?

ওরা কারা ?

( বিধিত)  যারা নারী থেকে জন্ম তারাই নারীকে নির্বস্ত্র করার জন্য উৎসাহ সহ এই নির্লজ্জ কাজ করে থাকে ওরা কারা? যারা সততার কথা বলে অথচ অসৎ কাজ করতে একটুও দ্বিধা বোধ করেনা ওরা করা? যারা নিজেকে ভগবানের ভক্ত বোলে প্রচার করে আর মানুষের কাছ থেকে সর্বস্র লুটে খায় ওরা কারা ? যারা প্রতিশ্রুতি দেয় ভালো করার কিন্তু সে অপকার ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনা ওরা কারা ? যারা প্রকৃতিকে ধংস কোরে নিজের ঘরকে সাজিয়ে রেখে অপরকে দোষারোপ করে ওরা কারা ? যারা রাষ্ট্র হিতের কথা না ভেবে নিজের প্রজাতিকে সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করে ওরা কারা ? যারা আজীবন কাজ না করে অন্যের অর্থকে নিজের সম্পদ মনে করে প্রতারণা করে ওরা কারা ? যারা কর্মের প্রতি চেয়ে ঘুষকে প্রাথমিক মনে করে নৈতিকতা বোধ করে ওরা কারা ? যারা দেশের সর্বস্র লুট করে দাগহীন পোশাক পরে সাদর সম্মানে আমন্ত্রিত হন ওরা কারা ? যারা অন্যায় দেখেও প্রতিবাদ না করে নির্বাক শ্রোতা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ওরা কারা ? সত্যিই অবাক লাগে এই প্রশ্নের জবাব দিতে আমরা সব জানি বুঝি তবুও চুপ করে থাকি কারন আমরা প্রত্যেকে একজন স্বার্থবাদী তাই নির্লজ্জের মতো জিজ্ঞেস করি, ওর...

চেষ্টা

(কবিতা) বহু চেষ্টা করেও পারিনি নিজেকে বোঝাতে হারিয়েছি নিজেকে অনেক শোকের মাঝে নির্লজ্যের মতো বেঁচে থাকাটা আজ দায়বদ্ধ তাই পরাস্ত মনে হয় যেনো এই নিয়তির কাছে। হারানোর পালাতে শুধু আমি একা নয় রয়েছে আরও অনেকে তাদেরও আর্তনাদে অনেক গভীর ঘুম ভেঙে যায় এই যন্ত্রনাতে পালাবে কোথায় রক্ষে নেই নিজের কাছ থেকে সরে দাঁড়াতে তাই পথ নেই আর লড়তে হবে নিজেকে নিজেরই আত্ম সম্মতে বিবেকের কাছে জিজ্ঞেসে ধিক্কার মনে হয় এখানেই তা শেষ নয় যে কথা ভুলে যাই তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া টা রয়েছে তারই কল্পনাতে আঘাত বোলে কোনো বস্তু বা বিষয় বোলে মনে করেনা ভাগ্যের বিধানে যা কিছু রয়েছে লেখা সেটা ঘটবেই তারই সেই কঠোর অবদানে কষ্টের সীমানাটা আজও খুঁজে পেলাম না বহু চেষ্টা করাতে তবে ছাড়বোনা এ লড়াই শেষ ঠিকানা পর্যন্ত এই বিষধর জীবন থাকাতে।

दर्द

(शायेरी) युही नही होती दर्द जुवां से बयां अक्सर घाव किस्तो में मिलते हैं हो ना हो ये हमारे दुश्मन, पर खुदगर्ज यहाँ तमाम मिलते हैं। हम तो मिटे मिटाए है खुद ही फिरभी चोट अनगिनत मिलते हैं जो लुटा हो हर बाजार में, उसे खरीदार भी बेचने वाला ही मिलते है। बहाना खुशियोका होता है पर आखिर गंगा से जमुना मिलते है अब क्या पूछे बहते आँशुओ से जहाँ तकलीफ की वजह मिलते है।

ছেলে v/s মেয়ে

(সংলাপ) "" মার কাছে সব ছেলেরাই তার রাজপুত্র আর বাবার কাছে তার অংশিদার ঠিক তেমন বাবার কাছে সব মেয়েরা পরের ধন আর মার কাছে তার সহকারি ছেলেরা যখন ভালো কাজ করে তখন বাবা বুক ফুলিয়ে বলে ***** এটা আমার ছেলে আর যখন খারাপ কাজ করে তখন মাকে বলে....... এটা তোমার ছেলে আমার হতেই পারেনা।  মেয়েরা যখন ভালো কাজ করে তখন  মা বলে...... এটা আমার মেয়ে শিক্ষা আমি দিয়েছি। আর যখন মেয়েরা খারাপ কাজ করে তখন দিব্যি বলে ওর বাপ টা যদি ঠিক হতো ও কখনও এরকম হতো না। তার মানে ছেলে মেয়েরা কখনও আলাদা নয় শুধু বিচার আলাদা '''''''''''''''''' ছেলেরা বিয়ে করে ঘরে বউ নিয়াসে আর মেয়েরা বিয়ে করে শশুর বাড়ী যায় ঠিক তেমন, যেমন ছেলেরা তার শশুর বাড়ী যান আর মেয়েরা বাপের বাড়ি আশে, হিসাব একই দেয়া নেয়া, তফাতটা হলো সমাজ নামের এই ভাইরাস এটাকে কখনও মানতে চায়না । এর জন্য সবার প্রথমে এই ভাইরাস থেকে সাবধান আর এই ভাইরাস আমাদেরই তৈরি। তাই না ?

বাঁচতে শেখো:-

নতুন করে বাঁচতে শেখো শিক্ষা যদি থাকে নয় তো সেটা কালির বিদ্যা জীবনে যা ঘটে থাকে। আত্যহত্যা নয় তো উপায় নয় তো সমাধান বাঁচতে গেলে সাহস দরকার আর কিছুটা অভিমান। হারিয়ে গেলে কি হারাবে ? হারাবে গুরুজন মা বাবাই কাঁদবে শুধু নয় তো প্রিয়জন । ভেবে দেখো একবার তুমি করতে পারো কি ! করার আছে অনেক কিছু বুঝবে সেটা কি ? বলতে পারো তুমি এখন জীবন তোমার বৃথা এই খানেতেই ভূল টা তোমার নয় তো এ কথা মিছা। এই জগতে অনেক মানুষ ভিক্ষা করে খায় বেঁচে থাকার ইচ্ছে শক্তি তবু নয় তো নিরুপায় । তুমি হয়তো পারবেনা তা লজ্জা তোমার আছে খুঁজে দেখো নতুন কিছু সেই সামর্থ্য টাও আছে । জন্ম তোমার কর্ম করার ফেলছ কেনো জলে কেনো সর্বনাশা হবে তুমি শুধু ভালবাসার ছলে । ============== 🖊️কে আর, সঞ্জয়

পশ্চিম বঙ্গ

বারো মাসে তেরো পুজো ছুটির কতো স্বাদ গো যতই কামাই ততই খরচ নেই কিছুতেই লাজ গো । হৈ হুল্লোর লেগেই থাকে খুশির জোয়ার বয় যে গরিব হলেই বা কি আসে যায় সব মুখ বুজে তাই সই যে। রক্ত দানের রক্ত শিবির লেগেই থাকে তাক যে এতো রক্ত নিয়েও তবু হাসপাতালে খাক যে। নিত্য নতুন চাঁদার বাবদ সংসারে কি হাল রে দিতেই হবে জোর করে ভাই কোনও উপাই আর নাই রে । ভোটের বেলায় এ দল ও দল কোন দলেতে যাই রে জোর করে সব করিয়ে নিচ্ছে দেশ ছাইড়া কোই যাই রে। ফ্রী ফটকার ঘটোত কোলি লোভ লাস্কের ও দেয় রে সরকার চায় দুয়ারে আসতে দুয়ার যে বড়ো দায় রে। শিক্ষা যেনো বিক্রি দেশে চাকরি তবু নাই যে চোর ছেচ্ছর মাতালেরা এখন সবাই ভাই যে । চিট ফান্ডের কেলেঙ্কারি সিন্ডিকেটের ভাগ যে পাবেই তারা যুক্ত যারা গনতন্ত্রের ডাক যে । মান্য ধন্য লোক গো সবাই নেই তো কালির দাগ যে কয়লাও তাই হিংসে করে, তবে নেই তো কোথাও রাগ যে। ================== 🖊️কে, আর, সঞ্জয়

বাঙালিয়ানা

জটিল বড়ো বাঙালি ভাই ভাত কে বলে অন্য সব কিছুতেই খুঁটি নাটি নয় তো কারও জন্য। স্বভাব এমন যায়না তবে যতই করো মান্য সোজা কথার ধার ধারেনা এতেই তারা ধন্য । খাবার বেলায় মন্ডা মিঠাই পোস্ত আলু বেশ তো মাছ মাংস লেগেই থাকে নেই তো গিন্নির রেশ তো । খাবার শেষে পানের তলব নয় তো বিড়ির টান গো চপ পাঁপড় তো ভুলেই গেলাম নেই তো সেটাও বাদ গো । ফলের বাহার ভোজন আহার পেটুক বড় মস্ত কাজের বেলায় টাল বাহানা চোখ আড়ালে অস্ত। সুখের জীবন শুধুই ভ্রমণ এই জীবনের সার গো বৃদ্ধ কালে সব বোঝা যায় ওষুধ পত্রের ছাড় গো । ================== 🖊️কে,আর,সঞ্জয়

নতুন সূর্য

(গান ) এক দিন উঠবে এমনও সূর্য    যে আমার আকাশ রাঙাবে সুনতে পাবো পাখিদের কলোরব   যে আমার ঘুম ভাঙাবে  সেদিন পাবো এক নতুন জিবন   আধার থেকে আলোর জোয়ারে  খুঁজে পাবো গো আবার আমি       ফিরে নিজেকে পৃথিবীর ধারাতে খুশির হাসি ফুটবে মূখে    পারবো সেদিন দুঃখকে হারাতে  জানিনা কতোটা হবে মঙ্গল    এজীবনের হবে কি শুভ সমাপন তবে আশা’ই আমার শেষ প্রদীপ    নিভবেনা যে কোনো আধারে  ফিরেছি মরণ থেকে বহু বার    হারিয়েছি আমি তাকে ততবার যদি আসে আবারও করতে হরণ    তৈরি আমি তার কাছে শতবার জানি আমি আমার তরী পাবো      রইবোনা কোনও সাগর মাঝারে 

যামুনা বাজার

 ৫০০ টাকা কামাইয়া বাজার গেলুম ঝামাইয়া আলু নিলাম কিলো দুই গেলো ৫০ গুমাইয়া লংকা আদা রসুন পিয়াজ নিলাম সবই গুছাইয়া কাঁচা সবজি নিমু কিডা ১৫০ গেছে মুড়াইয়া ঝিঙ্গা পটল বেগুন নিলাম আর যে নিলাম শুটি কড়াইয়া এই খানেতেই ১০০গেলো নিলো যে কান মুরাইয়া আটা চালেই ২০০ গেলো রইলাম আমি দারাইয়া সব জিনিসের আগুন লাগছে টাকা গেলো ফুরাইয়া মাছের পয়সা থাকবে কেমনে সবই দিলাম উড়াইয়া ধার নিমুনা কিছুতেই তবুও দিলো ঘুচাইয়া তেলের পয়সা রইলোনা আর গিন্নি রইছে খারাইয়া গাল মন্দ লইয়া তৈরি খামুই কপাল ঝারাইয়া কেমনে ফিরুম ঘরে এবার রাস্তা গেছে হারাইয়া । ================= 🖊️কে,আর, সঞ্জয় 🤔